আছানুল হক: কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলাতে দিন দিন প্রতিবন্ধী র সংখ্যা বেড়েই চলেছে, তাদের শিক্ষায় পাশে দাড়িয়েছে দৌলতপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম স্কুল। দৌলতপুরে মোট জনসংখ্যার শত করা ৪ জন প্রতিবন্ধী যা বাংলাদের সব চেয়ে বেশি প্রতিবন্ধী এলাকা। একটি শিশু যখন জন্ম গ্রহন করে তখন সে যদি হয় প্রতিবন্ধী তখন তার জন্ম থেকে মৃতু পর্যন্ত সমাজ ও পরিবার তাদেরকে বোঝা মনে হয় , প্রতিবন্ধী কে যাতে কেউ বোঝা না মনে করে তাই তাদের পাশে দাড়ানোর জন্য দৌলতপুরে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দৌলতপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম স্কুল।

স্কুলে সাংবাদিকরা সরজমিনে দেখতে গেলে চখে পড়ে করুনসব দৃশ্য, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পান্না সাহেব জানান এই বিদ্যালয়ে মোট ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা ২২০ জন ১৫৩ জন ছাত্র ও ৬৩ জন ছাত্রী, এদের মধ্যে আছে বাক প্রতিবন্ধী, শারিরীক প্রতিবন্ধী, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী,এদের শিক্ষা দিতে আমাদের হিমসিম খেতে হয় কারন ছাত্র ছাত্রী অনুপাতে শিক্ষক কম করন এখানে কোন বেতন নাই আজ আমরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে এসে স্কুলটা চালিয়ে রেখেছি আমরা আসাই বুক বেধে আছি বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী বান্ধব সরকার। তাদের শিক্ষা দিতে আর হিমসিম খেতে হয় কারন তারা বার বার বোঝালে ও আমাদের হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়ার মত কিছুই নাই যেমন, কম্পিউটার, সেলাই মেশিন, প্রজেক্টর আর অন্যান্য।

এ বিষয়ের ছাত্রের অনুভূতি জানতে চাইলে ছাএ রাকিবুল জানান এক করুন কাহিনি, বলেন আমি যখন আসতামনা তখন বাড়ীতে থাকতাম বাবার কাছে ভাই বোননের কাছে বোঝা ছিলাম আমি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আমি এই স্কুলে আসছি স্যার আমাকে হাতে ধরিয়ে ধরিয়ে লেখা পড়া শিখিয়েছে আমি আর নিজেকে প্রতিবন্ধী ভাবিনা বাবা মা ভাই বোন বোঝা ভাবে না আমিও মানুষ আমিও এ দেশের জন্য কিছু করতে চাই।এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান জানান আমি প্রতিবন্ধীদের পাশে আছি ওরা ও আমাদের মত মানুষ ওরা আমাদের বোঝানা।

















