পাঁচবিবিতে কবুতর পালনে স্বাবলম্বী রাসেল

0
112

সাজেদুল ইসলাম টিটু,পাঁচবিবি(জয়পুরহাট) থেকেঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন বালিঘাটা বাজারের তিনমাথা এলাকার যুবক দেওয়ান মো: রাসেল। সে অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেওয়ান মো: আব্দুর রশিদের ছেলে। তিন বছর পূর্বে ভগ্নিপতির কাছ থেকে পাওয়া এক জোড়া কবুতর দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করে রাসেল। পর্যায় ক্রমে তিনি খামারে বিভিন্ন প্রজাতির কবুতরের সংখ্যা বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে সতেরটি খাঁচায় আট প্রজাতির শতাধীক কবুতর পালন করছেন। প্রতি মাসে একটি স্ত্রী কবুতর এক জোড়া বাচ্চা দিয়ে থাকে। কবুতর বিক্রির জন্য বাজারে যেতে হয়না বাড়ি থেকেই কিনে নিয়ে যায় ক্রেতারা। এক জোড়া গিরিবাজ কবুতর এক হাজার,ঘিয়া চুল্লি এক হাজার দুই’শ,লাহরী সিরাজি তিন হাজার পাঁচ’শ,বাহাদুর দেড় হাজার,লোটন এক হাজার, লাক্ষা এক হাজার দুই’শ,সবজি পিয়ার তিন হাজার পাঁচ’শ ও দেশি প্রজাতির এক জোড়া কবুতর চার’শ টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি মাসে ১০ /১৫ হাজার টাকা আয় হয় বলে জানান খামারের মালিক রাসেল। তিনি আরও বলেন, শখের বশে খামার করেছি। অল্প পুঁজিতে নিজগৃহে কবুতর পালন করে বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে। কবুতর পালনে ঝামেলা কম। শুরুতে কবুতরের রোগ বালাই নিয়ে একটু সমস্যা হলেও এখন আর হয়না। অনেকেই তার কাছে পরামর্শ নিতে আসে। একজন ছাত্র ইচ্ছে করলে পড়ালেখার পাশাপাশি কবুতরের খামার করে বাড়তি আয় করতে পারে। কবুতরের ডাকে কেউ বিরক্ত বোধ করেনা বরং অনেকেই দেখতে আসে। কবুতর সাধারণত গম,সরিষা,ধান এসব দানাদার খাবার খেয়ে থাকে। অনেক সময় জমিতে গিয়ে বিষ মিশ্রিত গমের চারা খেয়ে কবুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই তিনি জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষায় কৃষকদের বিষ মুক্ত চারা রোপন ও উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসকে কবুতরের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

LEAVE A REPLY