টেস্ট ক্রিকেট মানেই একজন ক্রিকেটারের চূড়ান্ত পরীক্ষা। যতটা তাঁর ক্রিকেটীয় দক্ষতার, প্রায় ততটাই মানসিক দৃঢ়তার, মনোবলের। সেই পরীক্ষায় শুধু পাসই করেননি, ‘এ প্লাস’ও পেয়েছেন টিম পেইন। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাঁর, অধিনায়ককে অনুসরণ করতে পারেনি দল। জোহানেসবার্গে তাই ধুঁকছে অস্ট্রেলিয়া। সফরকারীদের ২২১ রানে অলআউট করে এরই মধ্যে ৪০১ রানে এগিয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
অস্ট্রেলিয়ার দিনের শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। গতকাল ৯৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল দল। এর মধ্যে সকালে খবর এল অধিনায়ক পেইনের ডান হাতের বুড়ো আঙুলে ফাটল দেখা গেছে। কিন্তু চোট নিয়েই লড়ে গেছেন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক। প্যাট কামিন্সকে নিয়ে সপ্তম উইকেতে এনে দিয়েছেন ৯৯ রান। তবে অধিনায়ককে টপকে গিয়েছিলেন কামিন্স। ৯১ বলে পেয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। কিন্তু পরের বলেই আউট হয়ে যাওয়ায় ১৯৫ রানে সপ্তম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
মধ্যাহ্নবিরতির পর ফিফটি পেয়েছেন পেইনও। কিন্তু অন্য প্রান্তে আর কেউ সঙ্গ দিতে পারেননি কামিন্সকে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরে যাওয়ার আগে ৬২ রান করেছেন পেইন। ভারনন ফিল্যান্ডার, কাগিসো রাবাদা ও কেশব মহারাজ নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
২৬৭ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে মার্করাম ও এলগার সেটাকে তিন শ ছাড়া করেছেন। ৫৪ রানে কামিন্সের বলে ফিরে গেছেন মার্করাম (৩৭)। তবে এর আগেই দ্বিতীয় দ্রুততম দক্ষিণ আফ্রিকান পেরিয়েছেন ১ হাজার রানের মাইলফলক। মার্করামের ১৮ ইনিংসের চেয়ে কম ইনিংসে ১ হাজার রান পেরিয়েছেন কেবল গ্রায়েম স্মিথ (১৭)।
এক শ রান তোলার আগেই হাশিম আমলা ও এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ফিরিয়ে দিয়েছেন লায়ন ও কামিন্স। কিন্তু দিনের বাকি সময়টা নিরাপদে পার করে দিয়েছেন ডিন এলগার (১৫৮ বলে ৩৯ রান) ও ফাফ ডু প্লেসি (৩৪)। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে কাল স্কোরটা ১৩৪ থেকে যতটা সম্ভব অস্ট্রেলিয়ার নাগালের বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করবেন দুজন।

















