জীবন একটাই,জীবন অনেক সুন্দর।
যখন ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজ এ থেকেও আপনার কাছের মানুষটা বাঁচার স্বপ্নে বিভর হয়ে প্রতিনিয়ত জীবন যুদ্ধ করে যাচ্ছে । ঠিক তখনই আপনি ছোট খাট বিপদে পড়ে একটু তেই বিষন্নতা/হতাশায় ভুগছেন। কখনও কখনও উল্টাপাল্টা পদক্ষেপও নিয়ে নিচ্ছেন। অত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে শেষ করে দিচ্ছেন নিজের সম্ভাবনাময় জীবনটাকে। কেন হেরে যাবেন এতো সহজে?…
পৃথিবীতে সমস্যা নেই কার জীবনে? সবার জীবনেই সমস্যা থাকবেই। কখনও কখনও সেসব সমস্যাগুলোকে অসহ্য মনেও হয়।
এ জীবনে আপনার হয়তো আত্মহত্যা করার যথেষ্ট কারন আছে, আবার সেই কারনগুলোকে দুপায়ে পদদলিত করে বেঁচে থাকারও যথেষ্ট কারন আছে।
আপনার জীবনটা কী শুধুই আপনার? মোটেই না। আপনার জীবনের প্রতি অধিকার কেবল আপনার নেই, আপনার জীবনের প্রতি অধিকার আছে চারপাশের সকল আপনজনেরও।
ডেভিড হিউম তার একটি প্রবন্ধে আত্মহত্যাকে ঈশ্বরকে
অপমান করার একটি প্রচেষ্টা বলে অভিমত দিয়েছেন। আত্মহত্যা হলো ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।
জীবনের চলার পথটা অনেক দুর্গম তবুও সবকিছু অতিক্রম করে যেতে হবে বহুদুর, কখনও সাহস হারাবেন না।
বিশিষ্ট কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন বলছেন যে, “এই বিশ্বে স্থায়ী কিছুই না, এমনকি আমাদের জীবনের সমস্যাগুলোও না।”
প্রতিদিনের সূর্যের হাতছানিটা যেমন একরকম হবে না, ঠিক তেমনি হবেনা জীবনের গতিপথগুলো সরল এবং সমান্তরাল। তবুও অপেক্ষা করুন, বাঁচতে চেষ্টা করুন নতুন দিনের স্বপ্ন ও আশা নিয়ে।একদিন জীবনের সব অন্ধকার কেটে যাবে, দেখা পাবেন নতুন দীপ্তিময় আলোর।
সকলের প্রতি রইল শুভ কামনা।ভাল থাকুন এবং ভাল রাখুন চারপাশের আপনজনদের।
লেখক:
রাশেদ চৌধুরী
ব্যবস্থাপনা বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া।




















