দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ গ্রাম থেকে ৭ টি ককটেল সহ শকুনতলা গ্রামের মোঃ কলম সর্দারের ছেলে তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা মোঃ কৌশিক (২২), পাকুড়িয়া ভাঙ্গাপাড়া গ্রামের মোঃ আমজাদ মহুরীর ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০) কে আটক করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। পুলিশ জানায় মঙ্গলবার ভোর রাতে দৌলতপুর থানা পুলিশের এসআই মোঃ শরিফুল ইসলাম, এসআই গৌতম কুমার মন্ডল, এএসআই মোঃ আসাদুল ইসলাম, এএসআই আশরাফুজ্জামান সংগীয় ফোর্স নিয়ে মথুরাপুর বাজার এলাকায় অবস্থান কালে রাত্রি ৩ ঘটিকার সময় সোর্স নিজেকে মোঃ আরিফ পিতা মোঃ আমজাদ মহুরী সাং ভাংগাপাড়া পাকুড়িয়া পরিচয় দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানায় মুন্সিগঞ্জ ক্রফোডনগর গ্রামের আলহাজ্ব মোঃ হয়রত আলীর ছেলে রিপন বড়মাপের বিষ্ফরক ক্রয়-বিক্রয়কারি তিনি তাহার দোত্বলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচতলায় ঘরের মধ্যে রক্ষিত ঘড়ের গাদার ভিতর বিক্রি করার উদ্দেশ্যে ৭ টি ককটেল রেখেছে। সেই তথ্য মোতাবেক অভিযান চালিয়ে ৭ টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তখন সোর্স আরিফকে কল দিলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেলে পুলিশের সন্দেহ হয়। তখন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে রিপনের সাথে পূর্ব শুত্রুতার জের ধরে রিপনকে র্যাব, পুলিশ দিয়ে ফাসানোর হুমকি দিয়ে আসছিল। এমন অবস্থায় সোর্স আরিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরিফ জানায় তথাকথিত ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক ও সে মিলে রিপনের বাড়িতে ককটেল রেখে আসে। এই ব্যপারে দৌলতপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ দারা খান পিপিএম বলেন আসামিরা পূর্ব শুত্রুতার জের ধরে রিপনকে ফাসানোর জন্য ককটেল গুলো রাখে, পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পেলে কৌশিক ও আরিফকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনাটি স্বিকার করে। তাদের বিরুদ্ধে বিষ্ফরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে, মামলা নাম্বার ১৫।

















